Home আজকের খবর গ্রান্ড ফিনালেতে মোট ৬ জন,জি বাংলা সারেগামাপা ২০২৩-এর গ্র্যান্ড ফিনালের শ্যুটিং হয়ে...

গ্রান্ড ফিনালেতে মোট ৬ জন,জি বাংলা সারেগামাপা ২০২৩-এর গ্র্যান্ড ফিনালের শ্যুটিং হয়ে গিয়েছে।

ফাইনাল রাউন্ডে রয়েছেন পদ্মা পলাশ হালদার, সোনিয়া গজমার, আলবার্ট কাবো, অস্মিতা কর, বিমান বুলেট সরকার, এবং ঋদ্ধিমান বিশ্বাস। তবে এবার কে পাবেন সেরার শিরোপা, তা জানতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন দর্শকরা তবে চলুন আলাপ করে নেওয়া যাক প্রতিযোগীদের সঙ্গে…
বিমান বুলেট সরকার এসেছেন উত্তরদিনাজপুরের ইসলামপুর থেকে। রায়গঞ্জ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরের গ্রাম ইসলামপুরের চোপড়া। সেই গ্রামের ছেলে বিমান বুলেট। গ্রামের সাদামাটা জীবনের মাঝেও সে স্বপ্ন দেখতেন রক গান গেয়ে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হবেন। কিন্তু শুরুতে বাবা মা, গ্রামের কেউ তাঁকে সমর্থন করেননি। তবুও নিজের চেষ্টা আর একাগ্রতায় কোথাও গান না শিখেই বুলেট সুযোগ পান সঙ্গীতের সেরা মঞ্চ সা রে গা মা পা ‘য় ।আজ বুলেটের জন্যই তাদের গ্রামকে সকলে চিনছে।

 

 

 

অস্মিতা কর কলকাতার নিউটাউনের বাসিন্দা। অস্মিতার যাত্রাটা অন্য প্রতিযোগিদের মতো ততটাও কঠিন হয়নি। কারণ, অস্মিতা কলকাতারই বাসিন্দা, ছোট থেকে গানও শিখেছেন। অস্মিতার পরিবার মানে মা-বাবা আর দাদা-বৌদি।। ছোট থেকেই গানের প্রতি বোনের ভালোবাসা দেখে দাদা সব সময় চেয়েছিলেন অস্মিতা গানের জগতে পরিচিতি পান। সা রে গা মা পা র প্রতিটা পর্বে দাদা এসে অস্মিতাকে উৎসাহ দিয়েছেন। তিনিই অস্মিতার আইডল।
ঋদ্ধিমান বিশ্বাস মালদার ছেলে। ওঁর মা মালদা মেডিক্যাল কলেজের নার্স। মায়ের এমারজেন্সি ডিউটি , নানান টেনশন থেকে বাঁচার একমাত্র আনন্দ ছেলের গান। রিটায়ার্ড বাবা ঋদ্ধিমানকে গানে উৎসাহ দেন। দুই দিদিও চান ভাই গান নিয়েই এগিয়ে যাক। মায়ের হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স বন্ধুরা ঋদ্বিমানের গানের খুব ভক্ত।
সোনিয়া গজমের, খড়গপুর পুলিশ কোয়ার্টারে বড় হয়েছেন। গজমের পরিবারে সারাক্ষণ গানবাজনা চলে। সোনিয়ার বাবা পুলিশ আর দুই দাদা মিউজিশিয়ানস। তিন ভাই বোনের কাজ হল ভালো ভালো রান্না করা আর সারাক্ষণ গান প্র্যাকটিস। তাঁর মা মাঝে মাঝে তাতে যোগ দেন।

 

 

 

 

নাম আলবার্ট কাবো, এসেছেন কালিম্পং থেকে। দার্জিলিং এর টুরিস্ট গাইড অলবার্ট। প্রথাগত গানের তাঁর শিক্ষা নেই।পর্যটকদের দার্জিলিং ঘোরাতে ঘোরাতেই গান গেয়েছেন অ্যালবার্ট। সারেগামাপা তার কাছে একটা বিরাট মঞ্চ। এখানে সুযোগ পেলে ভালো করে গান শিখবেন বলে জানিয়েছেন, তাঁর গ্রামকে সবাই চিনবেন, এই স্বপ্ন নিয়ে কালিম্পং এর টুরিস্ট গাইড অলবার্ট কাবো এসেছে সা রে গা মা পা-তে। কিন্তু এখানেই তিনি থেমে থাকতে চান না, গ্রুমিং হাউসে থেকে নিয়মিত ক্লাসিকাল গানের চর্চা।নাম পদ্মপলাশ হালদার, দক্ষিণ ২৪পরগনার লক্ষ্মীকান্তপুরের কীর্তন বাড়ির ছেলে বলে পরিচিত তিনি। পদ্মপলাশের কাছে কীর্তন মানে সাধনা। চাকরি কিংবা ব্যবসা নয়, তিনপুরুষ ধরে তাঁদের পরিবার গেয়ে আসছে কীর্তন ও কবিগান। আর এই পরম্পরাকে এগিয়ে নিয়ে যেতেই সারেগামাপা-তে এসেছেন বলে জানিয়েছেন পদ্মপলাশ।

Most Popular

পোস্ত কীভাবে এল? দেখুন বিস্তারিত

পেঁয়াজ বা রসুন ছাড়াই রান্না করা এই পদটি প্রতিটি বাঙালি পরিবারের সবচেয়ে সহজ, আরামদায়ক এবং প্রধান নিরামিষ খাবার। পোস্তবাঁটার (Posto Bata) অনন্য স্বাদ, কাঁচা...

রাস্তার ধারে গাছগুলিতে করা হয় সাদা রং ,তবে জানেন কি, কেনো করা হয় ?

রাস্তা দিয়ে পারাপার করার সময় চোখের সামনে অনেক কৌতূহল পূর্ণ জিনিসপত্র ধরা পড়ে। সেই সকল কৌতূহল জিনিসপত্র সম্পর্কে জানার ইচ্ছেও কম থাকে না। সেই...

মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন মুকুল রায়?

তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করতে হল। আপাতত তিনি বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।সূত্রের খবর, ভুলে যাওয়া থেকে শুরু করে, ব্যালেন্সিংয়ের সমস্যা হচ্ছে প্রবীণ...

শিয়ালদহ মেন শাখায় ট্রেনের দুর্ভোগ বেশ কিছু দিন ধরেই চলছে,নাজেহাল যাত্রীরা।

সকাল ১০.৪০ মিনিটে ডাউন ভাগীরথী এক্সপ্রেস শিয়ালদহ পৌঁছানোর কথা থাকলেও, ওই ট্রেন এ দিন বিকেল চারটের পর গন্তব্যে পৌঁছোয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন যাত্রীরা। সকাল...

Recent Comments