Home আজকের খবর দুঃখ ঘুচল বিডিআরের ,কি ভাবে ? দেখেনিন এই প্রতিবেদনে।

দুঃখ ঘুচল বিডিআরের ,কি ভাবে ? দেখেনিন এই প্রতিবেদনে।

মসাগ্রাম স্টেশনে মিলে মিশে যাবে পূর্ব রেল এবং দক্ষিণ পূর্ব রেল। এই খবরে যারপরনাই খুশি বাঁকুড়া ও পূর্ব বর্ধমান জেলার দক্ষিণ দামোদর এলাকার বাসিন্দারা। তাঁরা চাইছেন যত দ্রত সম্ভব ভারতীয় রেল এই পরিষেবা চালু করুক। তাহলে শুধু সাধারণ মানুষজনই নয়, দুই জেলার কৃষকরাও প্রভূত উপকৃত হবেন।বড় দুঃখের রেল’ এবার যাত্রীদের ’বড় সুখ’ দিতে চলেছে। বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাঁকুড়া (Bankura) থেকে মসাগ্রাম হয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন সোজা পৌছে যাবে হাওড়া স্টেশনে। রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকা কালে বিডিআরের দুঃখের অবসান ঘটাতে উদ্যোগী হন। তার পরেই ১৯১৬-১৭ সালে তৈরি হওয়া ন্যারো গেজের এই রেল পথটিকে পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা নেয়। সেই অনুযায়ী ২০০০ সালে শুরু হয় এই রেল পথকে ’ন্যারোগেজ’ থেকে ’ব্রডগেজে’ রপান্তরিত করে বাঁকুড়া থেকে হাওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখার মসাগ্রাম পর্যন্ত নিয়ে যাবার কাজ। মসাগ্রামে গড়ে তোলা হয় জংশন স্টেশন।

 

 

নতুন করে গড়ে তোলা এই রেল পথের উদ্বোধন হয় ২০০৫ সালে। এর পর শুরু হয় বাঁকুড়া থেকে মসাগ্রাম পর্যন্ত ১১৮ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেল পথের বৈদ্যুতিকরণের কাজ। ২০২১ সালের প্রথমার্ধেই রেলদপ্তর সেই কাজ শেষ করে ফেলে। আর এবার এই রেল পথ দিয়েই যাত্রীবাহী ট্রেন বাঁকুড়া থেকে মসাগ্রাম হয়ে হাওড়া যাবে। সেই ব্যবস্থা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত এবার পাকাপাকি ভাবে নিয়ে ফেললো রেল দপ্তর। মসাগ্রামেই মিলে মিশে যাবে পূর্ব রেল আর দক্ষিণ পূর্ব রেল। রেল সূত্রে খবর এই কাজ পুরোটাই করবে পূর্ব রেল। কেন্দ্রের রেল দপ্তর তার জন্য খরচ ধরেছে ৩৯ কোটি টাকা। কাজটি শেষ করার সময়সীমা ধরা হয়েছে ১০ মাস।বর্ধমান পূর্বের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল বলেন, ‘আমি এখন রেলওয়ে স্ট্যান্ডিং কমিটিতে অতিথি সদস্য হিসাবে আছি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বাঁকুড়া থেকে মসাগ্রাম পর্যন্ত রেলপথে বৈদ্যুতীকরণের কাজ সম্পূর্ণ যখন হয় তখনও আমি স্ট্যান্ডিং কমিটিতে ছিলাম। ওই সময়েই এই রেলপথকে পূর্ব রেলের হাওড়া- বর্ধমান কর্ড শাখার সঙ্গে সংযুক্ত করে ট্রেন হাওড়া পর্যন্ত নিয়ে যাবার বিষয়টি আমি ট্র্যান্ডিং কমিটিতে তুলি।

 

 

পরবর্তি সময়ে স্ট্যান্ডিং কমিটি তা অনুমোদন করে। এবার এই কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার অপেক্ষা মাত্র। সাংসদ সুনীল মণ্ডল এও জানান,“বাংলার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের রেলমন্ত্রী থাকা কালে বিডিআর- এর দুঃখ ঘোচানোর ব্যাপারে উদ্যোগী হন। বাঁকুড়া থেকে হাওড়া পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হয়ে গেলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি কৃষিজীবীরাও প্রভূত উপকৃত হবেন। পাশাপাশি এই রেলপথকে আঁকড়ে খুদ্র ও মাঝারি শিল্প কারখাধা গড়ে ওঠার সম্ভাবনাও তৈরি হবে বলে সাংসদ সুনীল মণ্ডল দাবি করেছেন’।বাংলার মনুষের আর্থ সামাজিক উন্নতির কথা ভেবে কেন্দ্রের রেল দপ্তরও বাঁকুড়া ও বর্ধমান দুই জেলার মানুষের দাবিকেই মান্যতা দিয়েছে। এখন যেমন বাংলার রেলপথ দিয়ে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন ছুটছে, তেমনি আর কয়েকমাস পর জঙ্গলমহল বলে পরিচিত মানুষজন এক ট্রেনে চেপেই বাঁকুড়া থেকে সোজা হাওড়া পৌছে যাবেন।

Most Popular

পোস্ত কীভাবে এল? দেখুন বিস্তারিত

পেঁয়াজ বা রসুন ছাড়াই রান্না করা এই পদটি প্রতিটি বাঙালি পরিবারের সবচেয়ে সহজ, আরামদায়ক এবং প্রধান নিরামিষ খাবার। পোস্তবাঁটার (Posto Bata) অনন্য স্বাদ, কাঁচা...

রাস্তার ধারে গাছগুলিতে করা হয় সাদা রং ,তবে জানেন কি, কেনো করা হয় ?

রাস্তা দিয়ে পারাপার করার সময় চোখের সামনে অনেক কৌতূহল পূর্ণ জিনিসপত্র ধরা পড়ে। সেই সকল কৌতূহল জিনিসপত্র সম্পর্কে জানার ইচ্ছেও কম থাকে না। সেই...

মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন মুকুল রায়?

তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করতে হল। আপাতত তিনি বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।সূত্রের খবর, ভুলে যাওয়া থেকে শুরু করে, ব্যালেন্সিংয়ের সমস্যা হচ্ছে প্রবীণ...

শিয়ালদহ মেন শাখায় ট্রেনের দুর্ভোগ বেশ কিছু দিন ধরেই চলছে,নাজেহাল যাত্রীরা।

সকাল ১০.৪০ মিনিটে ডাউন ভাগীরথী এক্সপ্রেস শিয়ালদহ পৌঁছানোর কথা থাকলেও, ওই ট্রেন এ দিন বিকেল চারটের পর গন্তব্যে পৌঁছোয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন যাত্রীরা। সকাল...

Recent Comments