Home ৫৭০ ভরির গহনা প্রতি বার সোনার পরিমাণ বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে তবে আছে এখন ৫৭০ ভরির...

প্রতি বার সোনার পরিমাণ বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে তবে আছে এখন ৫৭০ ভরির গহনা কেস্টো বাবুর

বীরভূম তৃণমূলের যে কালীপুজো বোলপুরের দলীয় দফতরে হয়ে আসছে তার প্রধান চরিত্র অনুব্রত। তিনিই মূল উদ্যোক্তা। প্রত্যেক বার কালীপুজোয় প্রতিমাকে গয়না পরিয়ে দেন তিনি। যদিও মা এবং স্ত্রীর মৃত্যু হওয়ায় দু’বছর প্রতিমাকে গয়না পরাতে পারেননি কেষ্ট। এ বার অবশ্য গরু পাচার মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়ে তিনি রয়েছেন জেলে।

কী কী গয়না রয়েছে কেষ্টর কালী প্রতিমার নামে? সূত্রের খবর, মুকুট, সীতাহার-সহ নানা রকমের হার, চেন, গলার চিক, টায়রা-টিকলি, চূড়, রতনচূড়, মান্তাসা, আংটি, চুড়ি, বালা, বাউটি, বাজুবন্ধ ইত্যাদি নানা ধরনের সোনার গয়না রয়েছে। সব মিলিয়ে সেই গয়নার পরিমাণ ৫৭০ ভরি। যার আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকা। ওই গয়না কোথা থেকে এল, সে দিকে নজর রয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)-এরও।

২০২০ সালে করোনার বছরেও কালীমূর্তিকে ৩০০ ভরির বেশি সোনার গয়নায় সাজানো হয়েছিল। তার আগে ওই সোনার পরিমাণ ছিল ২৬০ ভরি। তার আগের বছর ১৮০ ভরি সোনার গয়না সাজানো হয়েছিল প্রতিমাকে। এ বছর অবশ্য প্রতিমার সোনার গয়নার পরিমাণ আর বাড়বে না বলেই বীরভূম জেলা তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে।তবে প্রত্যেক বার বেড়েছে পরিমাণ।

১৯৮৮ সাল থেকে শুরু হয়েছিল ওই কালীপুজো। এর পর ক্রমশই বাড়তে থাকে পুজোর জমক। প্রতি বার প্রতিমাকে গয়না পরিয়ে দেওয়ার অনুষ্ঠানটিও হয় সে ভাবে। সব গয়না বার করে এক এক করে প্রতিমার গায়ে পরানো হয়। আর সেই পুজো দেখতে ভিড় করেন বহু মানুষ।

Most Popular

পোস্ত কীভাবে এল? দেখুন বিস্তারিত

পেঁয়াজ বা রসুন ছাড়াই রান্না করা এই পদটি প্রতিটি বাঙালি পরিবারের সবচেয়ে সহজ, আরামদায়ক এবং প্রধান নিরামিষ খাবার। পোস্তবাঁটার (Posto Bata) অনন্য স্বাদ, কাঁচা...

রাস্তার ধারে গাছগুলিতে করা হয় সাদা রং ,তবে জানেন কি, কেনো করা হয় ?

রাস্তা দিয়ে পারাপার করার সময় চোখের সামনে অনেক কৌতূহল পূর্ণ জিনিসপত্র ধরা পড়ে। সেই সকল কৌতূহল জিনিসপত্র সম্পর্কে জানার ইচ্ছেও কম থাকে না। সেই...

মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন মুকুল রায়?

তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করতে হল। আপাতত তিনি বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।সূত্রের খবর, ভুলে যাওয়া থেকে শুরু করে, ব্যালেন্সিংয়ের সমস্যা হচ্ছে প্রবীণ...

শিয়ালদহ মেন শাখায় ট্রেনের দুর্ভোগ বেশ কিছু দিন ধরেই চলছে,নাজেহাল যাত্রীরা।

সকাল ১০.৪০ মিনিটে ডাউন ভাগীরথী এক্সপ্রেস শিয়ালদহ পৌঁছানোর কথা থাকলেও, ওই ট্রেন এ দিন বিকেল চারটের পর গন্তব্যে পৌঁছোয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন যাত্রীরা। সকাল...

Recent Comments