Home খবর সেকেন্ড ও থার্ড ইয়ারের পরীক্ষা বন্ধ করে বিক্ষোভে সামিল সোমবার বর্ধমান ইউআইটির...

সেকেন্ড ও থার্ড ইয়ারের পরীক্ষা বন্ধ করে বিক্ষোভে সামিল সোমবার বর্ধমান ইউআইটির ছাত্রছাত্রীরা ।

সেকেন্ড ও থার্ড ইয়ারের পরীক্ষা বন্ধ করে বিক্ষোভে সামিল সোমবার বর্ধমান ইউআইটির ছাত্রছাত্রীরা ।এমনকি ইউআইটিতে ঢুকতে দেওয়া হলো না প্রিন্সিপাল সহ অন্যান্য অধ্যাপকদের।
জানা যাচ্ছে তিনজন স্টুডেন্টের রেজিস্ট্রেশন না দেওয়ায় এবং তারা পরীক্ষায় বসতে না পারায় সমগ্র ইউআইটি স্টুডেন্টরাই বিক্ষোভ দেখায়। তাদের দাবি অবিলম্বে রেজিস্ট্রেশন দিয়ে পরীক্ষায় বসতে দিতে হবে ওই তিন ছাত্র কে। না হলে কোনো ছাত্রই পরীক্ষায় বসবে না। পোস্টার হতে ইউ আই টি গেটে ধরনা বিক্ষোভ এ বসে ছাত্রছাত্রীরা।

তিনজন স্টুডেন্টদের মধ্যে একজনের কাছ থেকে জানা যায় ২০২০ সালে তারা ভর্তি হয় কলেজ সিডিউল অনুযায়ী জয়েন্ট এন্ট্রান্স এর রেঙ্কিং ছাড়াই শুধুমাত্র এইচ এস এর মার্কশিট নিয়ে। পাঁচটি সেমিস্টারের এক্সাম ফি দিয়ে দিয়েছে তারা। ইতিমধ্যেই চারটির পরীক্ষা অনলাইনে দিয়েছে। ফিফথ সেমিস্টারের জন্য ফর্ম ফিলাপের সময় রেজিস্ট্রেশন ফি 32100 টাকাও তারা জমা করেছে । পরীক্ষার এক মাস আগে থেকে তাদের বলা হয় যেহেতু জয়েন্ট এর রেঙ্ক নেই তাই রেজিস্ট্রেশন পাবে না ও পরীক্ষায় বসতে পারবে না। এমত অবস্থায় পরীক্ষায় বসতে না পারলে তিন ছাত্রের তিন বছর নষ্ট হয়ে যাবে। তাছাড়া পয়সা তো নষ্ট হবেই। সমস্যা যখনই তাদের বলা হয়েছিল এক মাস ধরে সমাধানের জন্য তারা ইউনিভার্সিটি, ভিসি, ইউ আই টি, রেজিস্টার সকলের কাছে বারবার ঘুরেছে কিন্তু কোন সমাধান হয়নি এবং তারপরে আজ পরীক্ষার দিন । তাই তাদের ভবিষ্যতে কথা চিন্তা করে অন্যান্য ছাত্ররা এদিন তাদের সঙ্গে আন্দোলনে সামিল হয়।

অন্যদিকে ইউআইটি প্রিন্সিপাল প্রফেসার অভিজিৎ মিত্র জানান, অজ্ঞাত চিঠির উপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় অথরিটি তিন ছাত্রের রেজিস্ট্রেশনের ব্যাপার ইসিতে তুলে দিয়ে তাদের admission রেজিস্ট্রেশন করিয়ে দেয়। তারপর ইউআইটির প্রিন্সিপাল কে জানানো হয় এবং ২০২০ সালে কভিটের সময় তারা ভর্তি হয়েছিল সেই সময় অনেক ছেলে জয়েন দিতে পারেনি লকডাউনের জন্য এবং সেই সময়ই কিছু ভালো স্টুডেন্টদের কাছ থেকে উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট এর ভিত্তিতে ভর্তির জন্য আবেদন আসে শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানায়, কিন্তু শিক্ষা দপ্তর থেকে যেহেতু ফাইনান্সিয়াল কলেজ তাই সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে বলে। তখন কলেজ বেশ কিছু ছেলে মেয়ের উচ্চ মাধ্যমিক এডমিশন দেয়। তাদের মধ্যে এই তিনজন রে সরকার জিও অর্ডার দিয়ে পরিষ্কার বলে, জয়েন্ট র‍্যাঙ্ক প্রাথমিকভাবে প্রথম আবশ্যক , তারপর সিট ফাঁকা থাকলে উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট দেখো ভর্তি করা যেতে পারে এবং তারপর অন্যান্যভাবেও ভর্তির কিছু ক্রাইটেরিয়া তারা জানায় এখন এদের বিষয়টা ইউনিভার্সিটি তে জানালে তারা বলছে যে এমসি মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিতে। তার মধ্যেই এখনো মিটিং হয়নি কিন্তু স্টুডেন্টদের আজ পরীক্ষা ছিল তারা আন্দোলনে বসেছে আগামী দিনে আজকের পরীক্ষা যদি না হয় আগামী দিনে একটা ডেট ফিক্স করে এদের পরীক্ষার বিষয়টা দেখা হবে এবং এই তিন ছাত্রের বিষয়টা ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আর আবারো আলোচনায় বসে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

Most Popular

পোস্ত কীভাবে এল? দেখুন বিস্তারিত

পেঁয়াজ বা রসুন ছাড়াই রান্না করা এই পদটি প্রতিটি বাঙালি পরিবারের সবচেয়ে সহজ, আরামদায়ক এবং প্রধান নিরামিষ খাবার। পোস্তবাঁটার (Posto Bata) অনন্য স্বাদ, কাঁচা...

রাস্তার ধারে গাছগুলিতে করা হয় সাদা রং ,তবে জানেন কি, কেনো করা হয় ?

রাস্তা দিয়ে পারাপার করার সময় চোখের সামনে অনেক কৌতূহল পূর্ণ জিনিসপত্র ধরা পড়ে। সেই সকল কৌতূহল জিনিসপত্র সম্পর্কে জানার ইচ্ছেও কম থাকে না। সেই...

মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন মুকুল রায়?

তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করতে হল। আপাতত তিনি বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।সূত্রের খবর, ভুলে যাওয়া থেকে শুরু করে, ব্যালেন্সিংয়ের সমস্যা হচ্ছে প্রবীণ...

শিয়ালদহ মেন শাখায় ট্রেনের দুর্ভোগ বেশ কিছু দিন ধরেই চলছে,নাজেহাল যাত্রীরা।

সকাল ১০.৪০ মিনিটে ডাউন ভাগীরথী এক্সপ্রেস শিয়ালদহ পৌঁছানোর কথা থাকলেও, ওই ট্রেন এ দিন বিকেল চারটের পর গন্তব্যে পৌঁছোয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন যাত্রীরা। সকাল...

Recent Comments